Home / এক্সক্লুসিভ / ৪ ইস্যুতে তদন্ত: আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

৪ ইস্যুতে তদন্ত: আতঙ্কে বিনিয়োগকারীরা

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: মার্কেট ম্যানুপুলেশন, ইনসাইডার ট্রেডিং, মার্কেট নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যসহ শেয়ার কারসাজি ঠেকাতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। ইতিমধ্যে ৪টি পরিস্থিতি বিবেচনায় তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো সম্পর্কে তথ্য দিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে চিঠি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আর এই ৪ ইস্যুর তদন্তে আতঙ্কে রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। বিশেষ করে একটি শ্রেণী যারা সবসময় মার্কেট ম্যানুপুলেশনের সঙ্গে জড়িত থাকে তারাই মূলত নিজেরা আতঙ্কিত হওয়ার পাশাপাশি অন্যান্য বিনিয়োগকারীদেরকেও আতঙ্কিত করছেন। বুধবার বিভিন্ন সিকিউরিটিজ হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকে বিনিয়োগকারী ও হাউজের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

উল্লেখ্য, নিম্নোক্ত ৪টি পরিস্থিতির মধ্যে যেকোন কোম্পানির শেয়ার পরলেই তার তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিএসইসির ডেপুটি ডিরেক্টর মুহাম্মদ শামসুর রহমান স্বাক্ষরে মঙ্গলবার ১২ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

৪টি পরিস্থিতি হলো:

০১. গত ৩০ কার্যদিবস বা কম সময়ের মধ্যে কোন কোম্পানির ক্লোজিং প্রাইস ৫০ শতাংশের বেশি বা কম হলে।

০২. বার্ষিক বা প্রান্তিক শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫০ শতাংশ ‍অথবা তার বেশি পরিবর্তন হলে।

০৩. এক মাসের এভারেজ টার্নওভার যদি গত ৬ মাসের এভারেজ টার্নওভারের ৫ বা তার বেশি গুণ পরিবর্তন হয়।

০৪. যেকোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশের পূর্বে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রাইস এবং ভলিউম ৩০ শতাংশ বা তার বেশি পরিবর্তন হলে।

উল্লেখিত ৪টি পরিস্থিতির মধ্যে কোন কোম্পানি পরলেই সে কোম্পানি সম্পর্কে তদন্ত করে তালিকা তৈরি করবে স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ। আগামী ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

আর এই নির্দেশনা দেওয়ার পরই মার্কেটে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে পুঁজিবাজারে ব্যাপক দরপতন হয়েছে।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিকিউরিটিজ হাউজের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকমকে জানান, এতোদিন যা’ও বিনিয়োগকারীরা ফ্রি’লি ইনভেস্ট করেছিল; কিন্তু কমিশনের তদন্তের নির্দেশনা আসার পরই সেল প্রেসার অনেক বেড়ে গেছে। যারা মূলত মার্কেট প্লেয়ার হিসেবে কাজ করে তারাই নিজেদের সেভ করার মার্কেটকে নতুন করে ম্যানুপুলেট করছে। যে ৪টি পরিস্থিতির তালিকা কমিশন থেকে প্রকাশ করা হয়েছে সেই পরিস্থিতির মধ্যে যেন সংশ্লিষ্ট কোম্পানি না পড়ে সে ব্যবস্থা করার জন্যই নতুন কারসাজির সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

 

ডেইলি শেয়ারবাজার ডটকম/মাজ./নি

Check Also

যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে ২ কোম্পানি

ডেইলি শেয়ারবাজার রিপোর্ট: যে কোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২ কোম্পানি। কোম্পানি দুটির নিরীক্ষক আর্থিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *